তুরস্ক কাপের ফাইনাল নিরপেক্ষ মাঠে শুরু হলো, যেখানে ত্রাবজোনস্পর মুখোমুখি হয়েছে কোনিয়াস্পরের। লিগের অবস্থান দেখলে, ত্রাবজোনস্পর সুপার লিগে ৩ নম্বরে, আর কোনিয়াস্পর আছে মাত্র ৯ নম্বরে; তাই স্বাগতিকদের মৌসুমি পারফরম্যান্স অতিথিদের তুলনায় অনেক ভালো। দুই দলের শেষ ১০টি মুখোমুখিতে ত্রাবজোনস্পর ৫ জয়, ২ ড্র ও ৩ হারে এগিয়ে, ফলে মানসিক সুবিধাও তাদের দিকেই।
তবে এই ম্যাচে এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপ মাত্র স্বাগতিকদের পক্ষে অর্ধ গোল, আর স্বাগতিকদের পানির হার ০.৯৪-১.০০-এর মধ্যম-উচ্চ পর্যায়ে স্থির রয়েছে। সুপার লিগের মঞ্চে নিরপেক্ষ মাঠের ফাইনালে অর্ধ গোলের লাইন খোলা মানে, বুকমেকাররা ত্রাবজোনস্পরের নির্ধারিত সময়ে জয়ের ব্যাপারে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নয়। দুই দলের শক্তির পার্থক্য ও অবস্থানের ব্যবধান বিবেচনায় অর্ধ গোলের লাইন স্পষ্টতই বেশ পাতলা—স্বাভাবিক মূল্যায়ন হওয়া উচিত ছিল অর্ধ/এক গোল, এমনকি তার চেয়েও গভীর লাইনে। স্বাগতিকদের পানির হার ধারাবাহিকভাবে মধ্যম-উচ্চ পর্যায়েই থেকেছে, ০.৮৫-এর নিচের নিম্ন পানির অঞ্চলে নামতে পারেনি, ফলে পেআউটের চাপ সবসময়ই ওপরের দিকেই কেন্দ্রীভূত হয়েছে।
ইউরোপীয় অডসের দিক থেকে, হোম জয়ের অডস ১.৮৫-১.৯৫-এর মধ্যে কেন্দ্রীভূত, ড্র স্থির রয়েছে ৩.৩০-৩.৪০-এর নিচু পরিসরে, আর অ্যাওয়ে জয়ের অডস ৩.৮০-৪.২০-এর মধ্যে। ড্র-অডসের এই ধারাবাহিক নিম্নমাত্রার আকর্ষণ বিশেষভাবে নজর দেওয়ার মতো—কাপ ফাইনালের সতর্কতাপূর্ণ চরিত্র, পাশাপাশি দুই দলের সাম্প্রতিক ড্র প্রবণতা, সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ে সমতায় শেষ হওয়াকে উপেক্ষা করা যায় না। হোম জয়ের অডসে কোনো স্পষ্ট নিম্নমুখী সমন্বয় দেখা যায়নি, যা বোঝায় বুকমেকাররা স্বাগতিক জয়ের ঝুঁকি নিয়ে খুব বেশি সতর্ক নয়।
স্কোয়াড বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোনিয়াস্পরের ইনজুরির সমস্যা তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুতর হলেও, ত্রাবজোনস্পরের সাম্প্রতিক ফর্মও খুব আহামরি নয়; শেষ ৬ ম্যাচে তাদের ফল ১ জয়, ৩ ড্র ও ২ হার, অর্থাৎ জয়ের হার ২০ শতাংশেরও কম। কাপ ফাইনালের অনিশ্চয়তা সাধারণত লিগের চেয়ে অনেক বেশি, আর ত্রাবজোনস্পরের সুবিধা মোটেও “নিশ্চিত জয়” পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
সার্বিক বিশ্লেষণ: লাইন পাতলা, স্বাগতিকদের পানির হার বেশি, ড্র-অডস নিচুতে জমাট, আর কাপ ফাইনালের সতর্কতাপূর্ণ চরিত্র স্পষ্ট।
স্কোরলাইন রেফারেন্স: ১-১, ০-০।