ফর্ম (30)
[পিকস]ফিফা বিশ্বকাপ
3116d ago
হ্যান্ডিক্যাপ06/18 22:00ফিফা বিশ্বকাপ
জয়কানাডা
FT--
কাতার
হোম-১.৫ (-)
অ্যাওয়ে+১.৫ (-)
দলগত শক্তি, কৌশলগত সামঞ্জস্য এবং টুর্নামেন্টের মনোভাব—এই তিনটি দিক মিলিয়ে যাচাই করলে, এই ম্যাচে কানাডার পক্ষে ১.৫ গোলের হ্যান্ডিক্যাপ কিছুটা মূল্যবান বলে মনে হচ্ছে।
দলগত শক্তির দিক থেকে ব্যবধান স্পষ্ট: কানাডার পুরো দলের মোট বাজারমূল্য ১২.৭ মিলিয়ন ইউরো, ফিফা র্যাঙ্কিং ৪৭ নম্বরে, আর আলফনসো ডেভিসকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা উইং-ভিত্তিক আক্রমণ ব্যবস্থা যথেষ্ট পরিণত। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তাদের গড়ে ম্যাচপ্রতি ২.১ গোল ছিল, যেখানে আক্রমণভাগে গতি ও শারীরিক সক্ষমতার বড় সুবিধা দেখা গেছে; অন্যদিকে কাতারের মোট বাজারমূল্য মাত্র ২.৮ মিলিয়ন ইউরো, ফিফা র্যাঙ্কিং ৬৩ নম্বরে, এবং দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই দেশীয় লিগে খেলে থাকেন, ফলে বড় মঞ্চের প্রতিযোগিতামূলক অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম। প্রথম রাউন্ডে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তারা পুরো ম্যাচে মাত্র ৩টি শট নিতে পেরেছে, ফলে আক্রমণভাগ থেকে কার্যকর কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি।
কৌশলগত মুখোমুখিতে কাতার মূলত গভীর ডিফেন্স ও কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর, তবে তাদের রক্ষণভাগের টার্নিং স্পিড কিছুটা ধীর, যা কানাডার উইং-ভিত্তিক দ্রুত আক্রমণের সামনে দুর্বলতা তৈরি করতে পারে; কানাডার হাই-প্রেসিং সিস্টেম প্রতিপক্ষের ব্যাকলাইন থেকে বল বের করার প্রক্রিয়াকে টানা চাপের মধ্যে রাখতে সক্ষম এবং এর মাধ্যমে প্রচুর সেকেন্ড-চ্যান্স আক্রমণের সুযোগ তৈরি হয়। কাতার প্রথম ম্যাচেই সর্বোচ্চ শক্তি ব্যয় করেছে, আর দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের শারীরিক ভান্ডার আরও কমে গেছে; তাই পুরো ম্যাচজুড়ে উচ্চ-তীব্রতার রক্ষণ সামলানো তাদের পক্ষে কঠিন।
সব মিলিয়ে, কানাডার অন্তত ২ গোলের ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা কম নয়। এটি কেবল সাধারণ কৌশলগত রেফারেন্স হিসেবে বিবেচ্য, কারণ ফুটবল ম্যাচে সবসময়ই অনিশ্চয়তার উপাদান থাকে।
